Monday, January 5, 2015

অন্ধকার আঁধার

মেঘ জড়ানো রাতে
যে অন্ধকারগুলো ভেঙেছিলো
আমার ঘুম রং দেওয়াল
জানলায় জানলায় এঁকেছিল হিংসুটে ভয়
ডানায় অন্ধকার জড়িয়ে গুটিসুটি আমি ছিলাম ছোট এক পাখি
বোধহয় শার্শি ঠুকরিয়ে ভেঙ্গেছি কাঁচ, মখমলের পর্দা ছিঁড়ে ফেলে
বাগীচাতে ঢুকে গেছিলাম
ফুটিয়েছিলাম ফুল , অকালবোধনে ।

সেই যে পার করে গেছি গঙ্গা
তারপর আমি আর কোন সুড়ঙ্গ-মুখ দেখি না
কিংবা কোন গঙ্গোত্রীর জন্ম
শুধু অন্ধকার আঁধার দেখি,  কৃষ্ণপক্ষ রাত, ভাঙ্গা চাঁদের অর্ধগোলাকার বৃত্ত
বিন্দু আর ছায়ারেখা গুলি একে অপরকে জড়িয়ে কোন এক সুতোকাটা বুড়ি
আমার রক্তে কেবল বাড়ায় শর্করা অনবরত

অথচ, অংকুরোদ্গোমের সেই তো মধুবন ছিল
কোন এক তরলীভুত প্রেম পত্রালিকা
উদ্ভিদ জীবনচক্রে এক গৃহবন্দী প্যানক্রিয়াস
যারা ঢেউ হয়ে ছড়িয়ে যায় ত্বকের প্রতিটা কোষে কোষে ,
কিংবা আমি যারা
নিকট অতীতে বা কাল
এখন তাদের ডুকরে ওঠা কান্নার সাংসারিক এটোকাঁটা
কোন কোন ছাইগাদায় পুড়ে যাচ্ছি সিগারেটের সাথে
ভস্ম হতে হতে
শূন্য থেকে শূন্যে, অনেক শূন্যের ভীড়ে, ঝড় খুঁজে ফিরি...

আজ সে এক স্থিতিস্থাপক সামুদ্রিক আর্দ্র ও লবনাক্ত নিঃশ্বাসে,
যে আজ শুধু কেবলই নিঃশ্বাস
মাঝে মাঝে মেঘে ঢাকা তারা হয়ে ঝরে পড়ি...
কখনো, রোডসাইড পার্কের পাশে কোন ধুলোমাখা ফুল বাগিচায়,
বা কোন এক কৃষ্ণকলির পাপড়িতে শিশিরের সাথে শুয়ে শুয়ে রাত্রির আকাশে
সেই প্রাণ ভ্রমরার পদচিহ্ন খুঁজি
আর
অন্ধকারের ফোটন কণাদের সাথে আজও তাই
কোন এক ধুমকেতুর পুচ্ছ বরাবর মেঘ হয়ে উড়ে যাই  ।


No comments:

Post a Comment