Monday, January 5, 2015

সিল্ক রুট

প্রত্যয়ী পদসারি
যে মাটিতে হাঁটে
পথ হয়ে যায় ।

মঙ্গল কাব্য থেকে
বেরিয়ে এসে দাঁড়ায়
বালু-কণা বর্ণচ্ছটা
মহাকর্ষ সূত্রে
সাজায় নক্ষত্র ।

ওদিকেই ভীড়
চেনা মানুষের মিছিল
রাজপথে চক্রের
নিজের ই বুকে ঘুর্ণন ।

কিছুটা সিগনাল
ভেঙ্গে গেলে পায়ে
উপলব্ধি হয় বুনো ঘাসের টান
দুর্গম বন্ধুর মালভূমি

এশিয়া মাইনর থেকে
ডাক দেয় সিল্ক রুট ।

নতুন দিল্লি , ৩০শে ডিসেম্বর ২০১৩

পবনপুত্র

পথেই পড়ে ছিলো ইলাস্টিকের মেঘ
চিলের পাখনায় জড়িয়ে জ্বারিত নিঃশ্বাস
ঘড়ির ডায়ালে কোমর বেঁকিয়ে কলম লিখছিলো
চুম্বকের আত্মজীবনী...


পোড়ামাটির পাত্রে শকুন্তলার অ্যালজেবরা
গুনিতক হারে বেড়ে যাচ্ছে
এই গ্রীষ্মে তাপ


জ্যামিতিক হারে বাড়াচ্ছি দৈর্ঘ্য
আউট অব মার্জিন


স্ট্র্যাটোসফিয়ার পার করে উড়ে যাচ্ছে গরুড়
বেলুনের পেটে বাড়ছে শিশু হনুমান
ডানা থেকে ঝরে পড়ছে রোদ


পাঞ্জাবী ট্রাকের পিছনে পিছনে
মুহ কালা করে এক একটি যক্ষ

প্রিন্ট হয়ে যাচ্ছি মাইলস্টোন থেকে মাইলস্টোন

এক হাত

কালিকা বধুর গলায় ঝুলে চক্রব্যুহ ফাঁদ
কপালে প্রতেবেশী ঢেউদের জ্যাম
বিন্দির সারি জুড়ে সুতো কাটছে চাঁদ
কাস্তের এক কোপে কেটে ফেললাম

জন্ম দিনের কেক

রেখা বৌদি কাঁধে হাত রেখে বল্লেন
এই সব মিলে কটা বসন্ত ?

বল্লাম,
যে কটা শীত
বাংকারে ধুলো মেখে পড়ে যে কটা  দিওয়ালী
প্লাস
যে কটা দশেরা কাটা তারে ফেঁসে
যে কটা হা হা করে বাহার ঘরবালী

বৌদির কাঁধের উপর দাদা দের হাত
দাদাদের কাঁধের উপর কালো কালো মাথা
মাথার অনেক উপর ওজোনের লেয়ার

আকাশের দখলদারীতে গুগল
নিচ্ছে এক হাত
আকাশে জ্যোৎস্নার জোয়ার ...


জোনাকি

ভোরের আবছা অন্ধকারে যে মেয়েটি
শিউলীর গন্ধ মেখে তাকিয়ে ছিল দিনের আহবানে
সূর্যরশ্মি কি তাকে চুম্বন করেছিলো ?
জাহ্নবীর তীরে এভাবেই কুন্তী বেঁধেছিল
মহাভারতের সংসার ?

আর তাই বুঝি এবার
ঐ কচি মেয়েটিও বাহু জড়িয়েছে এডিসনের বাহে
আর ডিস্কো তে ঘুরে ঘুরে ফ্যারাডের সাথে গিলেছে ভোডকার গ্লাস...


হুমমমমমমম, ঠিক আছে, তাই হোক
চোখ বন্ধ করে মহাজাগতিক সুখে সে চুমাক সাস্থের সমস্ত সর্বাংগ
নিয়নের আলোয় রক্ত রঙ্গিন হোক তার আসক্ত পানীয় ।


আর আমি তার বাড়িতে রজনীগন্ধা বাগীচায়
কেন মিথ্যে ( নাকি সত্য যুধিষ্ঠির ) জ্বালিয়ে যাই আমার কর্পুর নিঃশ্বাস
ঐ সব পানশালায় আমার রেণুদের কি হবে বাজার ?

ঐ সব কৃত্রিম চুম্বনে আমার রাসায়নিক আসক্তি
কি ভাবে দ্রবীভূত করবে বেঞ্জিন ?


বুঝেছি এ ঢের অন্যায় প্রেম,
আমি ঘৃত মুখে এনেছি অনেক মৃত হাতিদের নাম
কালো কালো গাঢ় অনুভুতির মধ্যে ঢেলেছি
সমানুপাতিক ফসফরাস আলো

আমার এই প্রেমের আগুনে কোন উত্তপ্ত স্ফুলিঙ্গ নেই
আমার চুম্বনের লালায় কোন ফোস্কা পড়া অ্যাসিড ও নেই ।


রেকর্ড করে নিন আমার স্বীকারোক্তি,
আমাকে এইবার এইসব অ-বৈদ্যুতিক আলোকের হাতকড়া থেকে মুক্তি দিন
আর অন্ধকারও ভেবে দেখুক

তার কোন মাংসহীন উষ্ণতার প্রয়োজন আছে কিনা ।

দ্বারকা

পিঠ পিছে রিং রোড , এক নদি বালুচর, স্রোত
মধ্যাহ্নের যমুনা আনে সুপ্রভাত চা,
এই আমাদের জানালা ।

এক সূর্য , আর এক আকাশচুম্বী সকাল...
গতির ফুল্লকুসুমিত রং মেখে নয়ডা ,
ডি এন ডি হাই ওয়ে উত্তরন করে তাজ এক্সপ্রেস
গ্রীনউইচ সিগনালে দাঁড়িয়ে পাঁচতারা
এক ধ্রুবতারা
অঙ্গুলি হেলনে ট্রাফিক দেখায় ।

আর একে চন্দ্র,
দুই পক্ষ
দ্বারকার দ্বারে জাগে অমাবস্যার পালাম ফাটক
লাল হলুদ সবুজের ঘুমন্ত ব্যস্ততা মেখে ভাড়ার মিটার গোনে
অন-কল মেরু ক্যাব ।

দুদিকেই রাস্তা,
চক্রবৎ ঘড়ি ঘড়ি
ডানলপ টায়ারে ঘাম জড়িয়ে
প্লাস্টিকেই লিখছি আজ প্রেমের কবিতা ।

১৫ -০১- ২০১৪ /মহাভীর এনক্লেভ, নতুন দিল্লি

যোগফল

কত গুলো ঘড়ি জুড়ে নিলে, ঘুরে আসে একটা আস্ত দিন
অনেকটা হলুদ মেখে যখন দাঁড়ায় সকালের হরিয়ালি শিফট
মহিপালপুরের ওভার ব্রীজের ওপর ল্যাম্প পোস্ট থেকে
একটা দুটো আন্তর্জাতিক এয়ার বাস ঝুঁকে
উঁকি মারে ট্যাক্সির জানালায় ।

এ সাম্রাজ্যে কখনো সূর্য ডোবে না, 
এ দিনে কখনো আসে নাকো রাত
ফ্যারাডে এসে আমাদের মাথায় হাত বুলিয়ে ,
কপালে চোখ তুলে পড়িয়ে যায় রন্টজেনের এক্স-রে থিয়োরি
এ সাম্রাজ্যে কখনো চন্দ্র ও ডোবে না
আমি তাকিয়ে দেখি সান্ধ্য এয়ারপোর্ট প্যাসেঞ্জার
ঘন নীল আই শেড,
শুধু আকাশটাই বুঝি এখন ডুবছে দ্বারকায় ?

ওদিকে তাকাই
ফ্লাই ওভার শেষ হয়ে এলে পেট্রোল পাম্প বরাবর 
চায়ের দোকানে এক ঝাঁক অফিস ফেরত
পাতিলাতে অদ্রক জলের সাথে স্ফুটনাংক বাড়িয়ে যাচ্ছে ঘাম
ঘর ডাকছে ঘুঘুর মতন
হাইওয়ের পিচের উপর এক বালুচর 
আর এক মৃত নদি ,
এম আর এফ টায়ারের সাথে জড়িয়ে
লাল হলুদ সবুজের ঘড়ি গুনে যায় । 


১০ -১২- ২০১৩ / মহাভীর এনক্লেভ

ন-বদ্বীপ

এক জটা চুল আর এক মাঠ ঘাস
সমগ্র রাত্রিজুড়ে কৃষ্ণরক্তজল, বিছানা রাঙা এক রাঙা মাটির পথ...
চোখজুড়ে ভেঙ্গে আসে ঘুম
কলমের নিব ছুঁয়ে নেমে আসে ঘাম
কেউ জীবন বলেন, কেউ সংগ্রাম ।

প্রতি কোষে গুনে যাই নব্বই প্রহর
শরীরের ভরবেগ, প্রতিটা মাইলস্টোন
ইচ্ছেরা খুঁজছে এক ভূমি সমকোণ !

এর পর আটকে গেলে মাকড়সা সিমেন্টের দেওয়ালে
প্লাস্টিক ক্ষয়ে যায়
প্লাস্টার খসে যায়

মুক্তির সোপান বুঝি দুয়ারেরই ঘাস
কেউ পাগল বলেন , কেউ সন্নাস ?

কবিতাও বুঝি এতটাই নীল
আকাশে পাল্টালে উল্লম্ব  পা,
দিগন্তে দাগ কাটে গঙ্গা কিনারা,
দাঁড়িয়ে হাতছানি দেয় সুনয়নী তীর্যক প্রান্তর
অভিসারে গিয়ে দেখি  আমার  মাটি ধুয়ে যায়
কি দিয়ে তোমার গৃহ বদ্বীপে সাজাই ?

দু ঠোঁটের মাঝখানে শুকিয়ে যাওয়া গোপন পিপাশা
কিছু জিজ্ঞাসা,
বাংলার গন্ধ ধুয়ে আনি
প্রেমের উষ্ণতা
কেউ সংসার বলেন, কেউ বা কবিতা ।

২৫ -১২- ২০১৩ / মহাভীর এনক্লেভ

দেওয়াল

বালিশ লম্বালম্বি ভাবে চাপা দিতে দিতে
অন্ধকার ও দেওয়াল হয়ে যায় ।

কিংবা দেওয়াল টা অন্ধকার কেই
আগে ঠেলে দেয়

পিঠ ঠেকে গেলে
মূর্ত হয় প্রতিবাদ

অথচ,
হৃদয় রাঙিয়ে নেবার নেশায়
শ্লোগান লিখে চলেছি সেই দেওয়ালে ই...


১১ -১২- ২০১৩ /মহাভীর এনক্লেভ

লাস্ট

নীল স্রোত যমুনায়
কাঞ্জীভরমের যৌবন ধুয়ে যায়
দুপুর ধুয়ে যায়, বিকেলও

পাড়দুটি স্নান সেরে দিল্লিবালী হোটেলে ফিরে গেলে
সন্ধ্যায় সুরার আড়ত হয়ে  ঘুরে আসে তাঁতী ও একবার

হাত খালি গেলে উঠে আসে বালি

কিছু কিছু ঢেউ তেষ্টায় কাতর
গলায় আটকে এলে অন্ধকার মুখ
মেহের উন্নিসার চুন্নি
রাতের মোম আলোয়
আবছায়ে ঢেকে দেয় ফ্যারাডের বুক

রাত ঘামা ঘুমেরা তীরে তীরে ইলেক্ট্রন ছড়ায়
এবং
আর একটি  বিগব্যাঙের তাড়নায়
তেলতেলে রেশমে চোখ রাখি

আলোতে পা রাখি
রেশম বুকের উপর
আলো পিছলে যায়

পা পিছলে যায় ...


লাল-কিলা

লাল-কিলা -১
লাল-কিলার পাথর ছুঁয়ে দেখি
আলতো স্পর্শে
ইতিহাস অনুভুতি আনে ।

আমিও এক নিরেট
প্রেমকে লিখতে গিয়ে দেওয়াল তুলি, 
দুর্গম দেওয়ান -ই- খাস
মুঘলের ধ্বংসাবশেষে
আমাদেরই অভিযানে ঠাই দাঁড়িয়ে
মোতি মসজিদ ।

এদের,
নিচ্ছদ্র সুকঠিন প্রস্তর দেওয়ালে
যেখানেই হাত রাখি, এক একটা
জানলা হয়ে যায়...


লাল-কিলা -২


কিন্তু
এভাবেই যাত্রা...
জংলী প্রশাখা জড়িয়ে গুহাদেশে রত্নাকর...
সংসার লিখতে গিয়ে মরা কাঠ
সরযুর দুপাশ দিয়ে বয়ে চলে রামায়ণ ।

আমরাই পারি, হাতও আছে অবাঁধ
সাহসী
বিশ্বাসী

আর

গভীর হলে চেতনা-স্পর্শবিন্দু
অনুভূতি গাঢ় হলে
দেওয়ালের বহুজাগতিক বিজ্ঞাপন স্ক্রল হয়ে
এক জানলা খুলে যায়...

আরো কত স্কুল, 
কত শিলালিপি, মুদ্রারাক্ষস
ঘিরে আসে আলোকোজ্বল ভার্চুয়াল আকাশ,
বিকেলের হলুদ রৌদ্রে
মাথাদের ভিড়ে ছড়িয়ে থাকে চাঁদনি চক,
কবিতার সামনে রাখি দেওয়ান - ই - আম । 



০৪ -১১- ২০১৩ /মহাভীর এনক্লেভ

একটু ঘুমাতে চাই

যে সব সর্বনাম পদগুলি
ব্যকরণের বর্ণে বর্ণে অভিষিক্ত
যে সব ইতিহাসের পাতাগুলি
দেওয়ালে দেওয়ালে প্রস্তরীভূত

ওরা আমার পান্ডুলিপি গুলোকে
হাতকড়া পরিয়ে হাইজ্যাক করেছে
আমাকে গৃহবন্দী ।

ঘেরাও পাহারায়
আমি এক ভঙ্গুর প্যাপিরাস
লবনাক্ত শৈবাল ক্লিষ্ট ঢেউ তোলা বেলাভূমি

কী লিখে যাব আমি ?
ভাঙা ইঁট , পুড়ে যাওয়া মন্দিরের ছাই
ঘুনে খাওয়া ঐতিহ্যের অক্ষয় বিশ্বাস ?
নাকি কোনো ডিপ্লোম্যাটিক মস্তিষ্ক-প্যাঁচানো বিবৃতি ?

এই নাও তবে স্বাধীনতা ,
আমাদের সবারই যদি থাকে এক অধিকার
আজ থেকে লিখে দিলাম নারীর বক্ষ খোলা রাখার অধিকার
মানতে হবে,  এই আমাদের দাবি,
চলো হরতাল ডাকি...

এইবার ফিসফিস, মৃদু ক্ষীণ আওয়াজ
দেওয়ালে দেওয়ালে পড়ছে শাবল,
কারা যেন কাটছে সিঁদ, হাত মলছে কিছু চোর
আমার সব লেখা গুলি এইবার চুরি হয়ে যাক
ছায়াপথের কুয়াশা বন্যায়, সব ভেসে যাক ...

অনেক লিখেছি আমি দিনআনা দিনখাওয়া
ফুটপাত মিছিল, ঘাম বেচে ঘুম...
স্বপ্ন বিক্রি করে কিনেছি অনেক জলঘোলা রাত ...

আমি চাই এক-ঘরবাড়ি অন্ধকার , নৈশব্দ-রাত্রি
এইবার আমি একটু ঘুমাতে চাই । 

ফিরে এসো পথ, পা রাখি

রাজপথে আলতা পায়ের ছবি, রক্ত-পান্না রং
বুকের উপরে ম্যাগনেট, ড্যান্সফ্লোরে বাসমতি চাল
পিন দিয়ে আটকেছি টারগেট 
ড্রাইভার, থোড়া আহিস্তা চালাও

অস্তিত্বের লড়াই
মানচিত্রে বীজ বুনে যাচ্ছি ডান 
অথবা বাম
রবি শষ্য কিংবা ঘাস ফুল

রাস্তার খুদ খুঁটে খাওয়া রিং মাস্টার
কবিতার খাতায় উঠে এলে
পাঠক মহলে বিগ হ্যান্ড

শ্লেষ বলে কথা,
কোন জি পি এস , কোন ব্লু টুথ,
ওয়াই ফাই ছাড়াই পায়ের দাগ রেখে যাচ্ছি
ফিরে আসার পথ

স্ট্রীট লেভেল জুম
গুগল আমার আঙুলে চুমু খাচ্ছে,
আমার বাঁহাতের তর্জনিতে ভোট প্রদানের দাগ
আমি কি এতই খড়গপাণি জল্লাদ ?

ফিরে এসো পথ, পা রাখি

অন্ধকার আঁধার

মেঘ জড়ানো রাতে
যে অন্ধকারগুলো ভেঙেছিলো
আমার ঘুম রং দেওয়াল
জানলায় জানলায় এঁকেছিল হিংসুটে ভয়
ডানায় অন্ধকার জড়িয়ে গুটিসুটি আমি ছিলাম ছোট এক পাখি
বোধহয় শার্শি ঠুকরিয়ে ভেঙ্গেছি কাঁচ, মখমলের পর্দা ছিঁড়ে ফেলে
বাগীচাতে ঢুকে গেছিলাম
ফুটিয়েছিলাম ফুল , অকালবোধনে ।

সেই যে পার করে গেছি গঙ্গা
তারপর আমি আর কোন সুড়ঙ্গ-মুখ দেখি না
কিংবা কোন গঙ্গোত্রীর জন্ম
শুধু অন্ধকার আঁধার দেখি,  কৃষ্ণপক্ষ রাত, ভাঙ্গা চাঁদের অর্ধগোলাকার বৃত্ত
বিন্দু আর ছায়ারেখা গুলি একে অপরকে জড়িয়ে কোন এক সুতোকাটা বুড়ি
আমার রক্তে কেবল বাড়ায় শর্করা অনবরত

অথচ, অংকুরোদ্গোমের সেই তো মধুবন ছিল
কোন এক তরলীভুত প্রেম পত্রালিকা
উদ্ভিদ জীবনচক্রে এক গৃহবন্দী প্যানক্রিয়াস
যারা ঢেউ হয়ে ছড়িয়ে যায় ত্বকের প্রতিটা কোষে কোষে ,
কিংবা আমি যারা
নিকট অতীতে বা কাল
এখন তাদের ডুকরে ওঠা কান্নার সাংসারিক এটোকাঁটা
কোন কোন ছাইগাদায় পুড়ে যাচ্ছি সিগারেটের সাথে
ভস্ম হতে হতে
শূন্য থেকে শূন্যে, অনেক শূন্যের ভীড়ে, ঝড় খুঁজে ফিরি...

আজ সে এক স্থিতিস্থাপক সামুদ্রিক আর্দ্র ও লবনাক্ত নিঃশ্বাসে,
যে আজ শুধু কেবলই নিঃশ্বাস
মাঝে মাঝে মেঘে ঢাকা তারা হয়ে ঝরে পড়ি...
কখনো, রোডসাইড পার্কের পাশে কোন ধুলোমাখা ফুল বাগিচায়,
বা কোন এক কৃষ্ণকলির পাপড়িতে শিশিরের সাথে শুয়ে শুয়ে রাত্রির আকাশে
সেই প্রাণ ভ্রমরার পদচিহ্ন খুঁজি
আর
অন্ধকারের ফোটন কণাদের সাথে আজও তাই
কোন এক ধুমকেতুর পুচ্ছ বরাবর মেঘ হয়ে উড়ে যাই  ।